1. jasim3444@gmail.com : Coxtribune.com :
  2. jasimnahid555@gmail.com : Jasim Nahid : Jasim Nahid
  3. mdboshirulla@gmail.com : MD Boshir : MD Boshir
  4. mohammadsiddique8727@gmail.com : Md Siddique : Md Siddique
  5. tribunecox@gmail.com : Jasim Uddin : বশির উল্লাহ
ড্রেনে ভাসছে হাজার হাজার টাকা! ভিড় করছে উৎসুক জনতা - Coxtribune.com
সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন

ড্রেনে ভাসছে হাজার হাজার টাকা! ভিড় করছে উৎসুক জনতা

কক্সট্রিবিউন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩৮ বার ভিউ

ড্রেনে টাকা ভেসে যাচ্ছে। খবর পেয়ে ভিড় করেছে মানুষ। কেউ কেউ টাকা কুড়াতে ড্রেনে নেমেও পড়েছেন। একজন পেয়েও গেলেন ৫০০ টাকার একটি নোট! তার দেখাদেখি আরও কয়েকজন নেমে পড়লেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী রেলওয়ে অফিসার্স মেস ভবনের সামনের ড্রেনে এভাবে টাকা কুড়াতে দেখা গেছে মানুষজনকে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আরও লোক সমাগম বেড়ে গেল। যারা এতক্ষণ ড্রেনে টাকার কথা শুনে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন নিজেরাও নেমে গেলেন সেই টাকা কুড়াতে। কেউ দু’একটি নোট পেয়েছেন, আবার কেউ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

টাকাগুলো রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের। সেগুলো পুরনো কাগজপত্রের ভিতর ছিল। নগরীর শিরোইল এলাকায় সড়ক পরিবহন গ্রুপের কার্যালয়। সেখান থেকেই কাগজের সঙ্গে খেয়াল না করে টাকাগুলোও ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খবর ছড়িয়ে পড়ে, এগুলো দুর্নীতি করে জমানো টাকা। ভয়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ খবর শুনে পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও ড্রেনের কাছে ছুটে যান। পরে তারা টাকার রহস্য খুঁজে পান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ড্রেনে এক হাজার, ৫০০, ১০০, ২০, ১০ এবং ৫ টাকার নোট পাওয়া গেছে। টাকা ভাসতে দেখে অনেক মানুষ নেমে পড়েন ড্রেনে।

টুলু নামের এক ভাংড়ি বিক্রেতা তার কুড়ানো টাকাগুলো রেখেছিলেন পকেটেই। তিনি জানান, টাকাগুলো অফিসার্স মেসের পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে চলে যাচ্ছিল। ড্রেনে ভাসতে দেখে তিনি নেমে পড়েন। আসলাম নামের আরেকজন জানান, তিনি এক হাজার ও ৫০০ টাকার নোট পেয়েছেন।

নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রথমে টাকা কোথা থেকে এলো তা নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে অবশ্য এর রহস্য জানা যায়।

রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটো বলেন, ‘আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছি। ভাবতেই পারিনি পুরনো কাগজের ভিতর টাকা থাকতে পারে।’

তিনি বলেন, কাগজগুলো ২০১০ সালের আগের। পচে গেছে। পোড়ানোর উপায় নেই। তাই ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ড্রেনে টাকা পাওয়ার খবর শুনে আমরাও সেখানে যাই। তারপর ঘটনা দেখি। সব মিলিয়ে দুই-তিন হাজার টাকা থাকতে পারে। কিন্তু খবর ছড়িয়েছে লাখ লাখ টাকা।.

সুত্র, যমুনা টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2020 coxtribune.com
Desing & Developed BY Serverneed.com
error: Content is protected !!